বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক জাল সাজু মোল্লার মাছ ঘাটে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা ১১ জন হলেন- বিল্লাল মাল (৫২), মোঃ খোকন (২৮), রিদয় গাইন (৩০), আবুল কালাম (৩৯), মোঃ আলী (৪০), মোঃ রাসেল (১৮), মনির মিজি (৩৮), সবুজ হাওলাদার (৩৩), আবদুল জবৃবার, (৫০), কাদির সর্দার (৫০ ও তসলিৃ (২৮)। আটকরা উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন ও হাইমচর ইউপির চরলক্ষি ও চরভৈরবী এলাকার বাসিন্দা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুল হাসনাইন। এ সময় কোষ্টগার্ডের পেডি অফিসার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার সফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক, ফাঁড়ি পুলিশ, উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোষ্টগার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান কাউছার আটক ১১ জেলের প্রত্যেককে ২০০০ টাকা করে ২২০০০ টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ সময় নদী ও সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তেঁতুলিয়া নদীতে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। কেউ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে। এ সময় মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পাবে, যা ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।