প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং
নীলফামারীতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরকীয়া ও যৌতুকের অভিযোগ পাঠানো হলো আইনি নোটিশ

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. সেলিনা বেগম সুমির বিরুদ্ধে পরকীয়া সম্পর্ক, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে, যৌতুক দাবি এবং প্রথম স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গত ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী ময়না আক্তারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মতিউর রহমান নোটিশটি পাঠান। এ সময় ভুক্তভোগীর আইনগতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনএফের মনোনীত প্রার্থী মো. সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালে মো. পারভেজ হাসানের সঙ্গে ময়না আক্তারের রেজিস্ট্রিকৃত বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সন্তানও রয়েছে। পরবর্তী সময়ে পারভেজ হাসান প্রবাসে থাকাকালে শিক্ষিকা সেলিনা বেগম সুমির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই তিনি সুমিকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়।
এতে আরও অভিযোগ করা হয়, পরবর্তী সময়ে শিক্ষিকা ও অন্যদের প্ররোচনায় প্রথম স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কয়েকজন মিলে ময়না আক্তারকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন বলে নোটিশে উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় এরই মধ্যে ডোমার আমলি আদালতে সি.আর. নং-৪৮/২০২৬ নম্বরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নোটিশে জানানো হয়।
বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
নোটিশে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলনের আওতায় পড়তে পারে। এ কারণে আগামী সাত দিনের মধ্যে শিক্ষিকা সেলিনা বেগম সুমিকে সাময়িক বরখাস্তসহ তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা শুরু করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশের অনুলিপি শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
ডে-নাইট নিউজ | সত্য ও সুন্দরের খোঁজে
সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডে-নাইট-নিউজ