
.
নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী জামানত টিকিয়ে রাখতে হলে প্রত্যেক প্রার্থীকে মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোটের বেশি ভোট পেতে হয়। এর কম পেলে সে প্রার্থীর জামানত বাতিল বলে গন্য হয়। সে অনুপাতে জামানত না হারানোর জন্য 'চেয়ারম্যান' পদের প্রার্থীদেরকে ৭ হাজার ৫৫৩টি ভোটের উপরে পেতে হবে। এ হিসেবের কম ভোট পাওয়ার কারণেই ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে।.
.
.
.
উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭ জন। বুধবার (৮ মে) উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৬০ হাজার ৪১৯ জন ভোটার। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ১৩৬টি ভোট ছিল বৈধ এবং ২ হাজার ২৮৩টি ভোট বাতিল করা হয়।.
.
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা শমসাদুর রহমান রাহিন ( শালিক পাখি প্রতীক ২ হাজার ১৫০ ভোট), কৈ মাছ' প্রতীকে ৫ হাজার ৭৮৮ ভোটে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক প্রবাসী গৌছ খান, বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও যুক্তরাজ্যের ডরসেট আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবাসী আব্দুল রোশন চেরাগ আলী ঘোড়া' প্রতীক ১ হাজার ৬ শত ৪৪ ভোট, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ এস আলী এনামুল হক চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীক ৯৪১ ভোট 'উট' প্রতীকে ৫১৮ ভোট পান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা সফিক উদ্দিন এবং হেলিকপ্টার' প্রতীকে ৪০৩ ভোট পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি প্রবাসী আকদ্দুছ আলী জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া বিশ্বনাথ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়া ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পার্থ সারথি দাশ পাপ্পু (টিয়া পাখি) এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাওছার খান (তালা) প্রতীকের প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।.
.
ডে-নাইট-নিউজ / বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
আপনার মতামত লিখুন: