
কবি ও লেখক তৌফিক সুলতান ১৯৯৯ সালে ৪ ফেব্রুয়ারীর গাজীপুর জেলার অন্তর্গত কাপাসিয়ার বারিষাব গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম তাজ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল করিম ও ফাতেমা বেগম এর জ্যেষ্ঠ সন্তান তিনি। বর্তমান সময়ে বেশ আলোচিত নাম কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক তৌফিক সুলতান। তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রতিবেদন, ফিচার ও কলাম লিখে থাকেন। তাছাড়া তিনি সাম্প্রতিক প্রবন্ধ, উপন্যাস ও ছোট গল্প লিখছেন যা আগামীতে বই আকারে প্রকাশ পাবে বলে আশা রাখছি।.
১। প্রশংসা পরাক্রম.
কেউ প্রশংসা করলে খারাপ সময়ে পাশে থাকলে অকাজের লোকটাও একটা সময় সফল হয়।
প্রশান্তির নদী প্রবাহিত হলে দূরে থাকে ভয়!
ভালোবাসা পেলে পাথরের হৃদয়েও ফুল ফুটে।
পাশে থাকার নিশ্চয়তা পেলে হতাশ মানুষটার হৃদয়ে আশার আলো উজ্জীবিত হয়ে উঠে।
সঠিক জীবনসঙ্গী পেলে মৃত্যুর পথ যাত্রীও বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পায়।
স্রষ্টার সন্ধান পেলে বান্দার মস্তক সিজদাহ্য় অবনত হয়ে যায়।.
২। প্রিয় সন্ন্যাসী.
তোমার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হলেও কি আর করার! আমি তোমাকেই অগাধ বিশ্বস্ততা নিয়ে ভালোবাসি।
অমিত অমিল অবহেলায় অনিবার্য অনির অন্বয়ী অনিয়ম।
পানির তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে শান্তি খুঁজি তবুও পানি পান করি না।
কেউ পানি দিলেও তা গ্রহণ করি না ফিরিয়ে দেই।
তোমার অপেক্ষায় থাকি।
উপেক্ষা করি সবই-আমি জানি তুমি একদিন ঠিকই;
আমার জন্য হৃদয় শীতল করা পানি নিয়ে আসবে প্রিয় সন্ন্যাসী।
অনির - অসাধু।
অন্বয়ী - ঐক্য।
অমিত - অপরিসীম,ভয়ঙ্কর।.
৩। হে প্রিয় রাসূল.
তোমাকে দেখিনি কবু
হে প্রিয় রাসূল।
শূন্য মরুর বুকে তুমি
ফুটিয়েছ ফুল।
জাহিলিয়াতের যুগে যারা
চোখ রেখেও ছিল অন্ধ!
তাদের দেখিয়েছ আলো
বন্ধ করছে তুমি যুগ যুগ ধরে
চলে আসা দ্বন্দ্ব।
কোরআন কে যারা বলে ছিলো
যাদু কিংবা কবিতার ছন্দ।
তারা-ও হয়েছে মুসলিম
পেয়েছে ইসলামের পতাকায় ঠাই
কালিমার সাক্ষ্য দিয়েছে চন্দ।
এই কালিমার দাওয়াত
কতো বাঁধা বিপত্তি করছে বন্ধ।
ডাকাত হয়েছে ভালো
ছেড়ে কতো কাজ যা কিছু মন্দ।.
৪। মহাজ্ঞানী.
যিনি জানেন স্রষ্টার বানী; তিনি হলেন মহা জ্ঞানী,
যারা স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক করেছেন,
তাদের মধ্যে এক দল হলো নবী।
কেমন করে স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক করা যায়,
সেই কথাটাই দিন রাত্রি ভাবি।
ভাবিয়া ভাবিয়া সময় অতিবাহিত করে নাহি কোনো কাজ!
সফল হতে হলে স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক করতে হবে আজ।
স্রষ্টা মোদের সামান্য জ্ঞান দিয়ে করেছেন সৃষ্টি;
চারপাশে তাকিয়ে দেখো কি দেখতে পাও দৃষ্টি।
সকল জ্ঞানের উৎস তিনি আমরা সবাই জানি।
তিনি ছাড়া আর কিছু নাই তাও আমরা মানি।
যদি তুমি হয়ে যাও নিঃস্ব জ্ঞানই তখন হবে তোমার একমাত্র শিষ্য।
বদলে যাওয়া পৃথিবীর আবরণ দেখিবে; দেখিবে চমকপ্রদ দৃশ্য। .
৫। পথভুলা পথিক.
অযাচিতমোহ কেটে গেলে মানুষ তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
ফিরে এসে দেখে অনেক দেড়ি হয়ে গিয়েছে।
ততক্ষণে তার এই অযাচিত মোহ ধ্বংস করে দিয়েছে তার চারপাশ।
তবুও কিছু মানুষ বেঁচে থাকে দুঃখনিয়ে এক আকাশ।
অবিধেয় চাওয়া কখনো না পাওয়া
অনিশ্চিত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ অধিক।
চারদিকে ঝাপসা অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া
আমি এক পথভুলা পথিক।.
.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: